কাতার সম্পর্কে পাঁচটি বিস্ময়কর তথ্য।

সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ প্রতিবেশী ৬টি দেশ সম্পর্ক ছিন্ন করায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার এখন আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে। রাশিয়া বিশ্বকাপরে পর ২০২২ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক দেশ কাতার। পাশাপাশি দেশটিতে প্রচুর তেল মজুদ রয়েছে। এর বাইরে কাতার সম্পর্কে মানুষ কতটা জানে? হয়তো বেশি কিছু, আবার না। বিবিসি কাতার সম্পর্কে পাঁচটি তথ্য খুঁজে বের করেছে যা আপনি হয়তো নাও জানতে পারেন।

প্রথমত: প্রচুর তেল ও গ্যাসের মজুত থাকা দেশ কাতার পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মাথাপিছু আয়ের দেশও। গত বছর এক জরিপে দেখা কাতারে মাথাপিছু আয় প্রায় এক লাখ ত্রিশ হাজার ডলার। যা দুই নম্বরে থাকা ইউরোপের দেশ লুক্সেমবার্গের থেকে ২০ হাজার ডলার বেশি।

দ্বিতীয়ত: গত এক দশকে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে প্রচুর সম্পদ কিনেছে কাতার। কয়েকমাস আগে কাতারের অর্থমন্ত্রী বিবিসিকে জানিয়েছিলেন, যুক্তরাজ্যে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৫ থেকে ৫১ বিলিয়ন ডলারের মতো। শুধু তাই নয়, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আরও ৫ বিলিয়ন পাউন্ডের মতো সম্পদ ক্রয়ের ইচ্ছা রয়েছে দেশটির।

তৃতীয়ত: কাতারে জনসংখ্যায় নারীর চেয়ে পুরুষের সংখ্যা অনেক বেশি। দেশটির মোট জনসংখ্যা ২৫ লাখের মতো। যদিও ২০০৩ সালে দেশটিতে মোট জনসংখ্যা ছিল সাত লাখের নিচে। কিন্তু হঠাৎ কাতারের জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় গত বছর শেষে দেশটির মোট জনসংখ্যা হয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। মূলত অভিবাসী শ্রমিকদের দ্বারা কাতারে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চলছে।

চতুর্থত: একটি রক্ষণশীল দেশ হিসেবে পরিচিত হলেও গত কয়েক বছরে দেশটি শিল্পকলার জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করেছে কাতার। দেশটি নামী-দামী বেশ কয়েকটি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। কাতার আমিরের বোন চিত্রকর্মের জন্য বছরে এক বিলিয়ন ডলারের মতো ব্যয় করেছে বলে জানা যায়। রাজধানী দোহায় ইসলামিক আর্ট জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। যেখানে প্রায় ১৪০০ বছরের নানা ধরনের চিত্রকর্ম প্রদর্শিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

পঞ্চম: শিল্পকর্মের প্রতি কাতারের আগ্রহ জাদুঘর থেকে বিস্তৃত হয়ে খোলা জায়গায় এসেছে। তার অন্যতম উদাহরণ দোহার হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এখানে গেলে চোখে বিশাল আকৃতির একটি ভাল্লুকের শিল্পকর্ম চোখে বিস্ময় সৃষ্টি করবে।